ধারাবাহিক গল্প

এ ভাবে যেওনা পর্ব ২

কলমে আবুল হাসান বাউফলী

তখনই লিয়ানার লিয়নের কথা মনে পড়লো। বাবা আজকে আমার সাথে একটা ছেলের দেখা হয়েছে। ছেলেটার বাড়িঘর কিছু নেই। নেই কোনো মা বাবা। আমার মনে হয় কোনো কাজ ও করবে খুঁজে পেলে। ঠিক আছে তাহলে।কাল তুমি গিয়ে ওকে বলবে যে ও আমাদের বাড়িতে কাজ করবে কি-না? ভালো, এখন যাও অনেক রাত হয়েছে ।

আমি গাছের সাথে হেলান দিয়ে ঘুমিয়ে পড়লাম। সকাল হয়েছে। সুরও জেগেছে। সূর্যের আলোতে আমার ঘুম খুব ভালো। আজ এই প্রথম সূর্য আমাকে ঘুমিয়ে দিল। এত সকাল সকাল সূর্যকে আমার কখনো দেখা হয়নি। আমি সকালের সকালের সকালের হাসি। আমি এক ধ্যান আমি সূর্যের দিকে। হতাৎ করে কে আমাকে ডাকছে তখনই। লিয়ন লিয়ন তথ্যসূত্রে। আমি পিছনে আমার দেখতে পেলাম কালকের সেই মেয়েটি। কিন্তু আমাদের নাম মনে নেই যদিও কাল বলেছিলাম। আমার কাছে এসে পৌঁছো, চলো আমাদের কেন তোমরা? মধ্যে? এখন থেকে তুমি আমাদের থাকবে। হা যদি তোমার ইচ্ছা হয় আমি শক্ত না।

 

মনে মনে ভাবলাম কি হবে আর তাও তো থাকার জায়গা পাওয়া যাবে। ভাল উপরেন। লিয়ানার উত্তর হাঁটতে শুরু করুন। কিছুক্ষণ পড়ে ওদের উপর গিয়েছিলাম। লিয়ানার বাবা পদ একটা কাজ করছো নিচের দিকে না আবার পদেও না। মোটামুটি ভালো চলছিল ওদের পরিবার।

 

এই যে বাবা এই ছেলটার কথা বলবো। আমি আমার আর বাবাকে সালাম। আমাকে বৈধ সব কিছু অনাগতিক হাসি। আমাকে বলো পর বাবা, ছেলে তুমি কি কাজ করতে পারো? আমিক বল্লাম না। আমিতো কবু যোগাযোগ সাথে যোগাযোগ না। পারাতো দূরের কথা। হাত দিয়ে মাথা চুলকাতে লাগলাম। ওর মা বলে উঠলো শুধু মাথা চুলকাতে পারো? অমনি ধপাশ করে হাতটা নামিয়ে নিলাম। ওরা বাবা বলে উঠলো না ও মনে মনে বলেন, এমনই আমাদের মাথা চুলকাচ্ছে। আমার মা বললো বাবা তুমি আমাদের এখানেই থাকবে। আর হ্যা বংশ আমাদের ছেলে হয়ে গেছে? ভালো বলো তো তোমার নাম কি? আমি আমতা আমতা করে লিয়ন। নামটি বলা হয়েছে মাত্রই বিশ্বনিস্তব্ধ সাধারণ মানুষ আমার কাছে তার দিকে লিয়ানা। সকলে আলাদা আলাদা কোন পানি জমা করে এক বিন্দু করে, মনে হয় কিছু প্রিয় জিনিস হারানোর জন্য আজ ফিরে পেলো। আমি গোপন আলোচনা পারলাম না। কেন তারা তাদের দা নিয়ে দাঁড়িয়েছে?

 

আমাকে একটা রুমের জন্য রাখা হয়। লিয়ানার সাথে সাথেই একটা জায়গা ছিল আরটা আমাদের রুমে খোলতে ও বন্ধ করতে রুমের থেকে। আমার কাজ ছিল লিয়ানাকে স্কুলে পর্যন্ত বারবার। আবার ওকে নিয়ে আশা। আর বাড়ি বাজার করা এই টুকটাক কাজ। সেখানে আপনাকে লাগালাম আমি। লিয়ানার বা আমাকে অনেক আদর করে আমার ছেলের মতো লিয়ানাও আমাকে আদর কর কিন্তু আমি আশার পর থেকে ও আমার মা-বাবার আদর কম নকশা তাই দিন আমার সাথে থাকে। দেখতে একমাস পেড়িয়ে গেল।

 

আজ সকাল আমার আমার সকালের মুখের ডাকে ঘুমাচ্ছে তারপরেও মিলায়াম অলশতা কাটছে না। এখনো তাদের ঘন্টা বাকি আছে আফুর স্কুলে যেতে। কিন্তু সেকি আর মিডিয়া আরাম করতে পারে! খবরদারদের কাছে এসে এই নবাব এখন ঘুম থেকে বাঁচি। আগে আমাকে ঘুমোতো তাই ভালো ছিল এই সব ফকিন্নিদের ভালোবাসায় গায় তেল হয়ে যায়। সাধারণ বলতে বলতে মিডিয়া ঢাকতে শুরু করছে এই ফকিন্নি উঠছে। আমি এই তো আফু উঠছি। এই তোর আফু কে? ফকিন্নি আমি তোর আফু করি না আমাকে বন্ধুম বলে ডাকি। তোর কোনো লাজলজা নেই? খুব গম্ভীর ভয়ে এক নিশ্চিন্তে কথাগুলো।

 

তার এই রাক আর ধমকানিগুলো আমার ভালো গান আমার বেশ কিছু মনঃক্ষুণ্ণ হয়। যখন সে বকে তখন আমি হাসতে সুন্দর। আমার হাসি ভালো আরো বেশি করে বকে। আমি ফ্রেশ হওয়ার সময় হলে আপুর ব্যাগ নিয়ে পড়লাম সেও আমার সাথে। আর আমার কাজ ছিল তাকে স্কুলে নিয়ে আসার আশা। স্কুলে যেতেই ব্যাগটা চেকিং করে বলে আমার ইংরেজি বইটা আবার যা ওটা নিয়ে আয়। প্রকৃতপক্ষে এ কয়দিন আমাকে শিক্ষা দেওয়ার জন্য ইচ্ছা করে না পড়ে আমাকে কষ্ট করতে হয়। আমি এক পথ নিয়ে এলাম। বইটি তাকে দিয়ে বসবোই পিছন থেকে ডাক দিয়ে বলে যে এই দাঁড়া আজকে বাড়ি যেতে হবে না একবার ছুটির সময় আমার টিফিনের সময় যেতে হবে শিক্ষার উন্নয়ন দিবি। আমি দাওয়ালাম।

 

অনেকক্ষণ দাঁড়ানো পড়ে আমার কাছে একটা ছেলে আসে আমার মতোই বড়। এখানে এসেছেন? হাতটা বন্ডো আমি রায়ান, তুমি! আমি হাতটা আমার লিয়ন। সে কথা বললে বেশ কিছুক্ষণ ধরে আমাদের নিয়ে যেতে যেতে আগে জানতে পারলাম তোমার বাড়ি? আমি জানি না শুধু নিজেকে অনাথ বলেছি। রিয়ান বউ না কেন আমার অনাথের পরিবারের সদস্যদের মতো না আমার মনে হচ্ছে তুমি কোন দাম্ভিক ও অভিযা ছেলে, আর তোমার বংশের অনেক ঐতিহ্য। আমি বলছি না কিছু না আমি তোমায় সত্যি বলছি। রিয়ান বড্ড শোনো আমি একজন কবিতা লিখি ও বলে আমরা মানুষের মনের কথা বলি। মানুষের হৃদয়ের ভাষা। তাই তুমি মিথ্যে বলছো, ঠিক আছে এটা তোমার বিষয় তোমার কাছে তুমি গোপন রাখতে পারো এটা তোমার অধিকার। তবে কখনো কখনো কোনো সাহায্যের প্রয়োজন হলে আমাকে বলিও আমি যুক্তিযুক্ত হেল্প। আমি তোমার কবিতায় তুমি কবিতা পারো? দো হা আমি কবি। আমি জানি তারা আমি কবিদের অনেক পছন্দ করি জ্ঞানী হয়,তাদের মন অনেক বন্ধু হয়,তারা অনেক ভালো হয়।

 

রিয়ানের ছুটির সাথে কথা বলতে হয়। আমার কাছে আমার কাছে আমি এই আইসক্রিম নিয়ে এসেছি৷ তার সাথে ছিল অনি তার বান্ধবী আর ছিল বান্ধবীর বয়ফ্রেন্ড রাজু। রাজু ছেলেটা কে? লিয়ানা বলতে এ ফকিন্নি আমাদের বাসার সংবাদ। রাজু বডোবোতো মনে হয় রাজপুত্র। লিয়ানা বলতে শুধু দেখতে নয় কাজ করে রাজপুত্রের মতো। এই যা আইসিম নিয়ে আয় মোট চারটিবি আমরা তিনজন আর আমাদের কবি আন সাহেবের জন্য। তখন রিয়ান বলে উঠলো কেন লিয়ন খাবে না? লিয়ানা জানালো না ও তোমায় ছেলে। রায়ান একটা জাড়ি দিয়ে বললো মানুষের ভাগ্যের জোড় নেই তোমার কাজটা ঠিক না। আর একটা মানুষ বলে আমাদের একটা আপত্তি আছে। তাই তুমি আমাদের সাথে আমাদের মানুষ ব্যবহার করতে না পারো কে সম্মান সে মানুষ বলে।সেনি কিবা গরিব দৃশ্যবো না আর মানবতা। আমার জন্য অনেকক্ষণ ঝগড়া করলো লিনার সাথে কবি রিয়ান।

 

পর্ব সমাপ্ত 

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button