ধারাবাহিক গল্প

দুষ্টু বরের রোমান্টিক অত্যাচার পর্ব ৩

✒ কলমে সিয়াম আহমেদ

হাসিব:: কিস, তুমি আমাকে নিজে থেকে কিস করবে তাহলে আমি তোমাকে রান্না করে খাওয়াবো।
হাসি:: ইম্পসিবল।
হাসিব:: তাহলে কি আর করার রান্নাটা তাহলে তুমি কর।
হাসি:: কিস না দিলে হয় না।
হাসিব:: নাগো হয় না।
হাসি:: আচ্ছা কিস দিবো।
হাসিব:: সত্যিই।
হাসি:: হে. কিন্তু আগে রান্নাটা শেষ করেন তারপর
হাসিব::‍ ওকে মাই ডিয়ার লক্ষী বউ আমি
এখনই যাচ্ছি।
হাসিব রান্না করতে চলে যাওয়ার পর হাসি মনে মনে ভাবছে (আহা আমার জামাই গো মনে করছে আমি তাকে কিস দিবো বয়েই গেছে তাকে কিস দিতে রান্না করতে গেল কিস পাওয়ার আশায় কিন্তু বেচারা তো আর জানে না তার বউটা কি জিনিস. কিস তো দূরের কথা আজকে তার রুমে যাবো না এই হি হি হি)অন্যদিকে হাসিব রান্নাঘরে রান্না করতে করতে ব্যস্ত অন্যদিকে হাসি বসে বসে টিভি দেখছে আর পায়ের উপর পা তুলে পকর্ন খাচ্ছে. হাসিবের রান্না শেষে হাসিব আজকে নিজেই খাবার পরিবেশন করলো এবং হাসিকে খাওয়ার জন্য ডাকলো হাসি আসলে।
হাসিব:: সব খাবার রেডি মাই জান,
খেয়ে দেখো কেমন হয়েছ।
হাসি::হুম খাচ্ছি।
হাসি একটা একটা করে সব খাবার টেস্ট করছে কিন্তু ইচ্ছে করে বলবে প্রত্যেকটা খাবার খারাপ হয়েছে কিন্তু সেটা না বলে সরাসরি বলে দিল হ্যা ভাল হয়েছে।
তারা দুইজন একসাথে খাওয়ার শেষ করল খাবার শেষ করে হাসিব হাসির জন্য বেডরুমে ওয়েট করছে কিন্তু হাসি আসছে না।
মনে মনে ভাবছে হয়তো অন্য রুমে লুকিয়ে আছে
(প্রিয় পাঠক-পাঠিকা বৃন্দ আপনারা অনেকেই কমেন্ট এর মাধ্যমে জানিয়েছেন নায়ক নায়িকার নাম যেন পরিবর্তন করা হয় তাই নায়কের নাম দিলাম ইমরান আর নায়িকা হচ্ছে মিম, নাম পরিবর্তন করা হল)
তাই ইমরান মিম কে খুঁজতে বের হল প্রত্যেকটা রুম তন্নতন্ন করে খুঁজে লাস্ট পর্যন্ত পেয়ে গেল, একটা রুমে দরজা ভিতর থেকে লক করে রেখেছে।
ইমরান:: মিম আমি কিন্তু জানি তুমি এই রুমেই আছ।
মিম:: আমি আজকে এ রুমে ঘুমাবো আপনি জান আমার ভালো লাগছে না।
ইমরান:: আচ্ছা আচ্ছা তোমাকে কিস করতে হবে না তবুও আমাদের রুমে চলো।
মিম:: আমাকে কি কুত্তায় কামড় দিয়েছে যে আপনার কথা শুনবো।
ইমরান:: তুমি যদি না আসো তাহলে আমি ব্লেড দিয়ে আমার হাত কেটে ফেলবো।
মিম:: কাটুন তাতে আমার কি।
ইমরান:: ওকে তাহলে আমি আমার হাত কাটছি।
মিম আর কোন সাড়া পাচ্ছে না মনে মনে ভাবছে সত্যি সত্যি কি হাত কেটে দিলো নাকি ওর কোন বিশ্বাস নেই কাটতে পারে যাই গিয়ে দেখি. মিম রুম থেকে বের হয়ে ইমরানের রুমে গেল. মিম রুমে গিয়ে অবাক ইমরান কি সতি সতি হাত কেটে ফেলেছে হাত থেকে রক্ত ঝরছে মিম দৌড়ে গেল ইমরানের কাছে।
মিম:: একি আপনি কি করছেন পাগল হয়ে গেলেন নাকি?
ইমরান:: কই কি করলাম!
মিম:: হাত কাটলেন কেন!
ইমরান:: আমার হাত আমি কেটেছি তাতে তোমার কি।
মিম:: হ্যাঁ সেটাই আপনার হাত আপনি যা ইচ্ছা তাই করেন।
মিম ইমরানের হাত নিজের কোলে নিয়ে ব্যান্ডেজ করে দিল. কিন্তু ইমরান ব্যান্ডেজ করতে চাচ্ছিল না।
ইমরান:: ব্যান্ডেজ করা লাগবে না এমনিতেই ঠিক হয়ে যাবে।
মিমজ্জ দেখিতো কিভাবে ঠিক হবে
ইমরান:: রক্ত বেশি হয়ে গিয়েছে পড়তে দাও
মিম:: চুপ একদম কথা বলবা না না হলে এবার হাত একেবারে ভেঙ্গে ফেলবো. চুপচাপ বিছানায় শুয়ে
থাকুনএকদম নড়বেন না. আমি হাতের কাজ শেষ করে আসছি।
ইমরান:: তুমি আমার সাথে ঘুমাবে।
মিম:: তা নয় তো কি এতক্ষণ তো ভেবেছিলাম আপনার সাথে ঘুমাবো না. হাত কেটে তু মহৎ কাজ করে ফেলেছেন এখন না ঘুমিয়ে পারি।
মিম হাতের সব কাজ শেষ করে রুমে এসে দেখে ইমরান চোখমেলে শুয়ে আছে
মিম:: কী হল ঘুমাচ্ছেন না কেন?
ইমরান:: তুমি পাশে না থাকলে আমার ঘুম আসেনা।
মিম:: জানিতো লুচু গিরি করার ধান্দা।
মিম ইমরানের কাছে গিয়ে ইমরানের দিকে পিঠ করে শুয়ে আছে. এদিকে ইমরান বেচারা কিছু বলতেও পারছেনা।
ইমরান:: মানুষ যে কিভাবে এত চিটার হয় আমি বুঝতেই পারছি না. কথা দিয়ে কথা রাখে না আমি হলেতো যেভাবেই হোক যে কোন উপায়েই হোক কথা রাখতাম।
এদিকে মিমের কোন সাড়া নেই।
ইমরান:: আমি কত কষ্ট করে হাত পুড়িয়ে রান্না করে খাওয়ালাম. কোথায় জামাইকে একটু আদর করবে তা না করে পুরাই শাকচুন্নির মতন ব্যবহার করে. আহা কি করছো টা কি আমি হাতে ব্যাথা পাবো তো।
মীম:: পাইলে পা আমি কি করবো তুই আমাকে শাকচুন্নি বললেই কেন?
এদিকে মিম তো রেগে ফায়ার. ইমরানকে তার নরম হাত দিয়ে আরো কয়েকটা কিল বসিয়ে দিল. ইমরান মিমের হাত ধরে বিছানায় শুইয়ে তার উপর উঠে তার শরীরের পুরো ভরে দিল মিমের উপর।
ইমরান:: আরে কি করছো এত মারছো কেন. এমনিতেই তো তোমার জন্য হাতটা কেটে ফেলেছি কই একটু আদর করবে তা না করে মেরে একদম তক্তা বানিয়ে দিচ্ছ।
ইমরানের নিঃশ্বাস মিমির মুখের উপরে পড়ছে. মীমের মুখ দিয়ে কোন কথা বের হচ্ছে না ইমরান ও নিজের কন্ট্রোল হারিয়ে ফেলল. ইমরান মিমের রসালো ঠোটের উপর ঠোট বসিয়ে দিল. ইমরান নিজের ইচ্ছেমতো মিমের ঠোটে মুখে কিস খাচ্ছে. মিম তাকে বাধা দিতে চাইলে কেন জানি বাধা দিতে পারছেনা প্রায় 10 মিনিট মিম ইমরানের কিস মমেন্ট চলল. মিম তো ঠান্ডায় বরফ হয়ে গেছে মুখ দিয়ে কোন কথা বের হচ্ছে না।
ইমরান:: খুব মিষ্টি, এই মেয়ে তোমার এই ঠোঁটজোড়া এত মিষ্টি কেন গো. তোমার ওই ঠোট দুটো আমাকে খুব করে তোমার দিকে টানে
মিম তো এসব কথা শুনে লজ্জায় বালিশ দিয়ে মুখ ঢেকে ফেলেছে. পারেনা লজ্জায় খাটের নিচে লুকিয়ে যায়. ইমরান মীমকে বুকে জড়িয়ে নিয়ে শুয়ে আছে. মিম চাইলেও বাধা দিতে পারে না. কারণ ইমরান মিমি আর কোন কথাই শোনে না. মিম ও কোন কথা না বলে ইমরানকে জড়িয়ে ধরে ঘুমিয়ে পড়ল।
সকালবেলা
মিম ইমরানের জন্য সকালের নাস্তা রেডি করে নিয়ে টেবিলে বসে আছে
ইমরান আসলো ব্রেকফাস্ট করতে ইমরান খেতে খেতে বলল।
ইমরান:: আজকে অফিসে যাব না।।
মিম:: কেন?
ইমরান:: আজকে আমি আমার বউকে নিয়ে সারাদিন ঘুরব।
মিম:: দরকার নেই আমি অফিসে যাব।
ইমরান:: ওই আমি বলছি না আজকে ঘুরতে যাব ঘুরতে যাব তো যাবোই বেশি কথা বললে কিন্তু খবর আছে।
মিম:: আচ্ছা যাবো।
ইমরান:: হুম সেটাই, যাও তাড়াতাড়ি রেডি হবে।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button