সম্পাদকীয়

আমার জানামতে মুনতাসির কখনো থামবে না- আবুল হাসান বাউফলী

লিখেছেন মুক্তকথনের প্রতিষ্ঠাতা।

শিশু সাংবাদিক অথবা সাংবাদিক মুনতাসির তাসরিপ। পটুয়াখালীর বাউফল ও দশমিনা উপজেলার পরিচিত এক নাম। বেশ দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিনিধিত্ব করছেন এই অঞ্চল গুলোতে। একসাথে দীর্ঘ এক বৎসর ধরে জনপ্রিয় সাহিত্য পত্রিকা মুক্তকথন এর সহকারী সম্পাদক হিসেবে সম্পাদিত করে আসছে পত্রিকা টি। সাংবাদিক মুনতাসির তাসরিপের লেখায় ফুটে উঠে সমাজের সাংস্কৃতি,অন্যায়,দূর্নীতি, সিন্ডিকেট ও অসহায় মানুষের কথা। সবসময় ভয়ভীতি দূর করে তার কলম থাকে সত্যের পক্ষে ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে।

ছবিতে মুনতাসির তাসরিফ
ছবিতে শিশু সাংবাদিক মুনতাসির তাসরিপ।

এছাড়াও মুনতাসির তাসরিপ কে দেখা যায় অসহায় ও অবহেলিত মানুষের পাশে। প্রতিষ্ঠা করেছে তারুণ্যের জাগরণ নামে অরাজনৈতিক সমাজসেবা সংগঠন। কখনো কোনো বয়স্ক, অবহেলিত ও শিশুকে সাহায্য করছে আবার কখনো লিখেছে এই সমাজের কথা। এই সবকিছুই মিলিয়ে তরুণ বয়েসেই হয়েছে এক মানব যোদ্ধা।

ছবিতে সাংবাদিক মুনতাসির তাসরিফ।
ছবিতে সাংবাদিক আব্দুস সালাম আরিফ  ও শিশু সাংবাদিক মুনতাসির তাসরিপ।

কিন্তু এমন মানুষটির ( অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো আমার ভুল হতে পারে। আমার পরিবার কেন লাঞ্ছিত  হবে?)  এই হেডলাইনে একটি পোস্ট দেখে খুবই ক্লিষ্ট হয়েছি। যা জাতির জন্য উদ্বেগ যুক্ত বিষয়। একটা উচ্চবিদ্যালয়ের কিছু অনিয়ম গণমাধ্যমে তুলে ধরার জের ধরে মুনতাসের পরিবারের  সদস্যদের ভর্তির নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে বিদ্যালয়টির কর্তৃপক্ষ।

ছবিতে সাংবাদিক মুনতাসির তাসরিফ।
ছবিতে শিশু সাংবাদিক মুনতাসির তাসরিপ।

কিছু না জেনেই গত বৃহস্পতিবার (২৮ ডিসেম্বর) সকালে মুনতাসিরের চাচা রহমত আলী সুজন তার ছেলে সাইমুনকে নিয়ে ৬ষ্ঠ শ্রেণিতে ভর্তি করতে ঐ বিদ্যালয়ে আসেন। কিন্তু বিদ্যালয়ের শরীরচর্চা শিক্ষক সুলতান আহমেদ তাকে ভর্তি করাননি। এমনকি স্রেফ বলেদেন মুনতাসিরের পরিবারের কাউকে ভর্তি নিতে নিষেধ করেছেন স্কুল টির প্রধান শিক্ষক।

ছবিতে সাংবাদিক মুনতাসির তাসরিফ।
ছবিতে শিশু সাংবাদিক মুনতাসির তাসরিপ।

মুনতাসির সত্য ও সঠিক বলে তাই আজ তার পরিবার এই দূর্দশা পোহাতে হচ্ছে। মুনতাসিরের একটাই দোষ ও সত্য বলে ও লিখে। তাই পরিবারকে চাপ দিয়ে মুনতাসির কে থামাতে চায়। বন্ধ করতে চায় তার সত্যের কলমের কালি। কিন্তু আমার জানামতে মুনতাসির কখনো থামবে না। ও দুর্বার গতিতে এগিয়ে যাবে সত্যের পথ ধরে। এগিয়ে যাবে দেশ,জাতি ও মানবতার জন্য।

Related Articles

Back to top button